এর আগে, গত ৩০ জুলাই বিকেল ৪টার দিকে কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের চরসোনাকুর গ্রামে ঘটনা ঘটে। চরসোনাকুর গ্রামের মৃত কাদের মোল্লার ছেলে আজাহার মোল্লা (৭০) ওই তিন শিশুকে চকলেট ও বিলাতী গাব খাওয়ানোর প্রলোভন দিয়ে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যৌন নির্যাতন চালান। একপর্যায়ে শিশুরা চিৎকার দিতে চাইলে তাদের গলা টিপে ধরার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত আজাহার মোল্লা পালিয়ে যান। ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে অভিযুক্ত আজাহার মোল্লার বিরুদ্ধে ১ আগস্ট কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
নির্যাতনের শিকার ৩ শিশুর একজনের বয়স ৭ বছর, অন্যজন ৮ বছর বাকি আরেকজনের বয়স ৯ বছর। এরমধ্যে দুইজন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। বাকি একজন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
.png)
স্থানীয়রা জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি একজন জঘন্য প্রকৃতির লোক। এর আগেও তার যৌন কামনা চরিতার্থ করার জন্য বিভিন্ন অপকর্ম করে এলাকাবাসীর কাছে মারধরের স্বীকার হয়েছেন। তার সঠিক বিচারের দাবি করেন তারা।
এ বিষেয়ে কচুয়া থানার ওসি মো. মহসীন হোসেন জানান, ঘটনার পর থেকে আসামি গ্রেফতার এড়ানোর জন্য পলাতক ছিলেন। মামলা রুজুর পর থেকে আসামিকে গ্রেফতারের জন্য কচুয়া থানাসহ আশপাশের বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান করে পিরোজপুর জেলার রাজারহাট এলাকা থেকে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।