নিহত সাজ্জাদ হোসেন স্থানীয় শামসুল হকের ছেলে ও দুই সন্তানের জনক। তিনি ছোটবেলা থেকেই তার মায়ের সঙ্গে নানা কছিম উদ্দিনের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন।
এদিকে এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো তিনজন। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতরা হলেন- সাজ্জাদের মামা মুক্তার আলী, তার ছেলে মামুন ও শামীম।
.png)
জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের মধ্যবয়ড়া নামাপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের কন্যা গত দুইদিন আগে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে বুধবার ঢাকা থেকে বাড়ি নিয়ে আসে পরিবারের লোকজন। ওই ঘটনায় প্রতিবেশী সাজ্জাদ হোসেনকে দায়ী করে মেয়ের পরিবার। পরে বুধবার রাত ১০টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আবু রায়হান ও তার লোকজন সাজ্জাদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
ওই সময় বাধা দিতে গেলে সাজ্জাদ, মুক্তার আলী, মামুন ও শামীমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। আর বাকি তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সদর থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।