প্রসঙ্গত, ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে গত বৃহম্পতিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যার পর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ২৬টি গ্রামের বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন।
তাছলিমা বেগম আরো বলেন, এমন বন্যার পানি আগে কখনো দেখিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে ঘরে পানি ঢুকতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার থেকে ছোট ছোট ২ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে রাত জেগে বসে থাকি। মাটির চুলা ডুবে গেছে, সিলিন্ডার গ্যাসও শেষ। তাই দুইদিন ধরে ঘরে রান্না হচ্ছে না। শুকনো খাবার খেয়েই বেঁচে আছি।
.png)
তাছলিমা বেগমের জা রেহেনা বেগম জানান, তিনি ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী। তার মাটির ঘরে পানি ঢুকে ঘর লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। তিনি হতাশ হয়ে জানান, তার সব শেষ। তিনিসহ তার সাতজনের পরিবারের সদস্যরা পাশে দেবরের ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। রাতে সাপ আতঙ্কে কেউ ঘুমাতে পারেন না। ঘরের জিনিসপত্রের মায়ায় কোনো আশ্রয়কেন্দ্রেও যাননি।
কসবার ইউএনও মো. শাহরিয়ার মোক্তার বলেন, কসবায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। আশা করি খুব দ্রুতই এই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কসবায় ২,৩৫০ পরিবারের ১৫ হাজার সদস্য এখনো পানিবন্দি রয়েছেন।