বুধবার বেলা ১১টার দিকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক ফেরদৌসি বেগম এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মন্টু একজন প্লাস্টিকের কাঁচামাল কেনাবেচার ব্যবসায়ী। তিনি বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ উপজেলার কিসমত জামুয়া গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে। বর্তমানে রাজধানীর চকবাজারের এমআরজে কর্পোরেশন ১৩০/১ বীরেন এলাকার বসবাস করছেন ওই ব্যবসায়ী।
রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী আল হেলাল।
.png)
মামলার বিবরণে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ সদরের গোসাইবাগ গ্রামের মালেক সরদারের ছেলে ব্যবসায়ী মানিক সরদার ও রাজধানীর চকবাজারের ব্যবসায়ী মো. মন্টুর মধ্যে ব্যবসায়ীক সূত্রে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে মন্টুকে আড়াই কোটি টাকা ধার দেন অপর ব্যবসায়ী মানিক। পরবর্তীতে ব্যবসায়ী মন্টু ওই টাকা পরিশোধে পূবালী ব্যাংকের সমুদয় টাকার একটি চেক দেন মানিককে। এতে মানিক টাকা উত্তোলন করতে ব্যাংকে গেলে দেখেন অ্যাকাউন্টে টাকা নেই। এ অবস্থায় প্রথমে মানিক সরদার তার আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ করেন। পরে ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামি মন্টুকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও আড়াই কোটি টাকা অর্থদণ্ড প্রদানের রায় ঘোষণা করেন আদালত।