বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক মো. আমিনুল হক এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ চৌধুরী ওরফে রাসেল চট্টগ্রামের চন্দনগাঁও এলাকার একেএম ফরিদ আহমেদ চৌধুরীর ছেলে। নিহত জান্নাতুল ফেরদৌস খুলনার খালিশপুর এলাকার জহিরুল ইসলামের মেয়ে।
.png)
তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর তারা রূপগঞ্জ থানাধীন মৈকুলি এলাকায় হাবিবুর রহমানের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আব্দুর রশিদ বলেন, ২০২২ সালের ৪ নভেম্বর রূপগঞ্জ থানার দায়ের করা হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. সালাহ উদ্দিন সুইট বলেন, আসামি মো. আব্দুল্লাহ চৌধুরী ওরফে রাসেল (৩২) এবং ভিকটিম জান্নাতুল ফেরদৌস জ্যোতি (২৩) ভালোবেসে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেছিলেন। তারা রূপগঞ্জ থানাধীন মৈকুলি এলাকায় হাবিবুর রহমানের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। বিয়ে করার কিছুদিন পর থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আব্দুল্লাহ চৌধুরী ৪ নভেম্বর গভীর রাতে পারিবারিক দ্বন্দ্বের একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমকে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে হত্যা করেন।
তিনি আরো বলেন, এই ঘটনায় ভিকটিম জান্নাতুল ফেরদৌস জ্যোতির মা শারমিন আক্তার ডলি বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষপ্রমাণের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এ রায় দেন আদালত।