শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বাঘবেড় গ্রামে মায়ের সঙ্গে শিশুটি ভেসে আসে।
জানা যায়, শুক্রবার সকাল থেকে পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের চারটি নদীর পানি বাড়তে থাকে। যা পরবর্তীতে বন্যার সৃষ্টি করে। বন্যা থেকে বাঁচতে অনেকেই বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু ঝিনাইগাতী এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার অনেক মানুষ এখনো নিরাপদ স্থানে যেতে পারেনি। ঝিনাইগাতীর ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ সারাদিন উদ্ধারকাজ করলেও সন্ধার পর থেকে তা বন্ধ আছে।
.png)
নিহতরা হলেন- নালিতাবাড়ীর বাঘবেড় ইউনিয়নের বালুচর এলাকার মানিক মিয়ার স্ত্রী রহিজা বেগম (৪০) ও নয়াবিল ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া এলাকার বাসিন্দা কৃষক ইদ্রিস আলী (৭৫)। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
নালিতাবাড়ী থানার ওসি ছানোয়ার হোসেন বলেন, পাহাড়ি ঢলে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। দুজনের পরিচয় শনাক্ত করতে পেরেছি। বাকি একজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।