রাঙ্গামাটি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, এবার রাঙ্গামাটি সদরে ১৫টি, কাপ্তাই উপজেলায় ৮টি, কাউখালি উপজেলায় ৪টি, বাঘাইছড়ি উপজেলায় ৫টি, রাজস্থলী উপজেলায় ৪টি, লংগদু উপজেলায় ৩টি, নানিয়ারচর উপজেলায় ১টি, বিলাইছড়ি উপজেলায় ১টি, জুরাছড়ি উপজেলায় ১টি, বরকল উপজেলায় ২টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিমার কাজ শেষ পর্যায়ে এখন চলছে রং-তুলির কাজ। উৎসব মুখর পরিবেশে পূজা সম্পন্ন করতে প্রতিমাসহ মণ্ডপে শেষ হয়েছে আলোকসজ্জার কাজ।
.png)
৮ অক্টোবর মহাষষ্ঠী থেকেই পূজা মণ্ডপ মুখরিত হবে। ১২ অক্টোবর দশমীর দিনে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ঘটবে এ বছর দুর্গাপূজার সমাপ্তি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে মহালয়ার দিন থেকেই উৎসব শুরু হয়। বিগত বছরগুলো থেকে এ বছর প্রতিমা তৈরির খরচ বেশি বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাঙ্গামাটি জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অমলেন্দু হাওলাদার জানান, সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারো সাম্প্রায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে রাঙ্গামাটিতে পূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। প্রতি বছরের ন্যায় রাঙ্গামাটিতে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সব পূজাগুলো উদযাপন করতে পেরেছি। প্রতি বছরই ঘুরে ফিরে আমাদের শারদীয় দুর্গোৎসব আসে, আমরা পালন করি। তবে এবার একটু ব্যতিক্রম হচ্ছে। পটভূমি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মনে একটু সংশয় ছিল, আমরা পূজা করতে পারবো কি না।
তিনি আরো জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব সুন্দরভাবে করার আমরা সবার সহযোগিতা চেয়েছি এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা চেয়েছি। এবার রাঙ্গামাটি সদরে ১৫টি সহ মোট ৪৪টি পূজা মণ্ডপ স্থাপিত হয়েছে।
রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা যাতে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সুনিয়ন্ত্রিতভাবে সুন্দর নিরাপত্তার মধ্যে সম্পন্ন হয় এজন্য আমরা তিন স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করেছি। মণ্ডপে মণ্ডপে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে থাকবে পুলিশ এবং প্রত্যেকটি মন্দিরের কমিটির সঙ্গে আমাদের সমন্বয়ক রয়েছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পুলিশ বাহিনী চেষ্টা করবে।