সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা এসে তিতাস গ্যাস অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে গ্রাহকরা অফিসের শাখা ব্যবস্থাপকসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে কালিয়াকৈর থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
পুলিশ ও গ্যাস অফিসের কর্মকর্তারা গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে বলেন, গ্যাস সরবরাহে বিদ্যমান ত্রুটিগুলো দ্রুত মেরামত করা হবে এবং শিগগিরই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।
.png)
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী গ্রাহকরা জানান, গত তিন মাস ধরে তাদের বৈধ গ্যাস সংযোগে গ্যাস সরবরাহ প্রায় বন্ধ রয়েছে, ফলে রান্না-বান্নাসহ অন্যান্য দৈনন্দিন কাজকর্মে তাদের ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
এক গ্রাহক বলেন, গ্যাসের লাইন থাকলেও, তাতে গ্যাস নেই। অথচ আমরা নিয়মিত বিল দিচ্ছি। বাধ্য হয়ে কাঠ বা বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা আমাদের জন্য আরো বেশি কষ্টদায়ক।
অন্য একজন বিক্ষোভকারী বলেন, আমরা প্রতিদিন গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করি, কিন্তু কোনো উন্নতি হচ্ছে না। গ্যাস সংকট আমাদের জীবনযাত্রাকে স্থবির করে দিয়েছে।
তিতাস গ্যাসের চন্দ্রা জোনাল অফিসের শাখা ব্যবস্থাপক জানান, আমরা গ্রাহকদের দুর্ভোগ সম্পর্কে অবগত আছি এবং গ্যাস সরবরাহে সমস্যার সমাধান করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আশা করা যায়, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।
বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং অবিলম্বে গ্যাস সরবরাহের দাবিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। তারা সতর্ক করেন, দাবির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হলে তারা আরো বড় আকারের আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন।