গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আমান মোল্লা (৫৫), তার ছেলে মেহেদী হাসান শুভ (২৭) ও মতিন (৫০) ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত জুলাই মাসে সাংবাদিক আরিফ চৌধুরীর গর্ভবতী স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এই আসামিরা অভিযুক্ত। তারা দীর্ঘদিন ধরে বনমালা এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত ছিল বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করে আসছিলেন।
.png)
ভুক্তভোগী আরিফ চৌধুরী বলেন, তারা সমাজের খারাপ লোক। তাদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। গত জুলাইয়ে আমার স্ত্রীর ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের পুরো পরিবারকে হুমকি দিয়েছে।
সাংবাদিক আরিফ চৌধুরী আরো জানান, গত জুলাই মাসে আমার স্ত্রী ও শাশুড়ি বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় কিছু দুষ্ট প্রকৃতির লোক তাদের উদ্দেশে খারাপ মন্তব্য করে। আমার স্ত্রী এই আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর আক্রমণ করে। আঘাতে আমার স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় আমি টঙ্গী পূর্ব থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করি। পুলিশের তৎপরতায় মঙ্গলবার তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে বাকি দুই আসামি রবিন ও ডবিন এখনো পলাতক। আমার একান্ত দাবি, এই দুইজনকেও দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. কায়ছার আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।