এ ঘটনায় মনছুর আলী তিন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন, কালিকাপুর দেওয়ানপাড়া এলাকার মৃত সাইফুল্লার ছেলে মো. বাকি ও তার দুই ছেলে মো. খালেক ও মো. মালেক।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মনছুর আলী বলেন, কালিকাপুর দেওয়ানপাড়া মো. বাকির বসতবাড়ি সংলগ্ন আমার ১৭ শতক শিমের জমি রয়েছে। সম্প্রতি শিমক্ষেতের জাংলার বেশ কিছু খুঁটি চুরি হয়। এ বিষয়ে মো. বাকির ছেলে খালেক ও মালেকের সঙ্গে আমার বাগবিতণ্ডা হয়। বাকিসহ তার দুই ছেলে খালেক, মালেক চুরি করে। তারা আমাকে দেখে নিবে এবং শিম ক্ষেতের ক্ষতি করবে বলে হুমকি দেয়।
.png)
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শিমক্ষেতে গিয়েছিলাম তখন শিমক্ষেত ভালো ছিল। শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে শিম গাছের পরিচর্যা করতে গিয়ে দেখি পুরো ক্ষেতের শিম গাছ কাটা। আমার ধারণা মো. বাকি ও তার ছেলে খালেক, মালেক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তাদের অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগপত্র দায়ের করেছি।
মনছুর আলীর ভাই জহুরুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে এ ক্ষেত থেকে প্রায় ৪ মণ শিম সংগ্রহ করে বিক্রি করা হয়েছে। প্রতি কেজি শিম ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এবার বর্ষার কারণে ফলন বিপর্যয়ের ফলে অন্যান্য বারের তুলনায় এবার শিমের দাম ভালো। এ শিম ক্ষেতে ফলন খুব ভালো হয়েছিল। এ ক্ষেত থেকে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার শিম বিক্রি যেতো। যারা এ ক্ষেতের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএম মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি এবং একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।