নিহত আসমা আক্তার ওই বাড়ির মালয়েশিয়া প্রবাসী মাসুমের স্ত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে মাসুমের সঙ্গে আসমার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পরপরই স্বামী প্রবাসে পাড়ি জমান। তাদের এক বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। আসমা তার শ্বশুর-শাশুড়ি ও দুই দেবরের সঙ্গে থাকতেন।
.png)
আসমার শাশুড়ি মাছুমা বেগম বলেন, পরিবারের সবাই শনিবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। তবে মোবাইলে টিকটক চালানোর কারণে আসমার ঘুমানোর কোনো নির্দিষ্ট সময় ছিল না। ভোরে আসমার শ্বশুর বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হলে পাশের আমগাছের সঙ্গে আসমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে নামিয়ে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আসমার দেবর সাইমুন বলেন, টিকটকে আসক্ত ভাবি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছে বলে সন্দেহে পরিবারে অশান্তি দেখা দেয়। তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টার অংশ হিসেবে মোবাইল ভেঙে ফেলি। কিন্তু এ নিয়ে কোনো ঝগড়া হয়নি। কেন এই ঘটনা ঘটল, তা বুঝতে পারছি না।
ফরিদগঞ্জ থানার এসআই ইসমাইল হোসেন বলেন, আসমার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।