শনিবার আনুমানিক রাত ১১টার দিকে ২ যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় সৌরভকে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করেন। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা হয়েছে এমনটা জানিয়ে তাকে ভর্তি করে রেখে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়েন ওই দুই যুবক। সৌরভের শরীরের বিভিন্ন স্থানে অনেক আঘাতের চিহ্ন থাকায় স্বজন ও পুলিশের ধারণা সঙ্ঘবদ্ধ হামলা কিংবা হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে পারেন সৌরভ।
সদর থানা পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, শনিবার রাত ১০টার দিকে ঠেঙ্গামারা এলাকার একটি দোকানে সহপাঠী চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে বসেছিলেন সৌরভ। তারা দুজনেই স্থানীয় টিএমএসএস টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। এ সময়ে সেখানে তাদের আরো কয়েকজন বন্ধু আসেন এবং তাদের সঙ্গে চলে যান সৌরভ। আধা ঘন্টা পরে সৌরভকে নিয়ে যাওয়া এক বন্ধু মোবাইলে তার স্বজনদের জানান সৌরভের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা হয়েছে, তাকে টিএমএসএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে সৌরভের মরদেহ দেখতে পান। সেখানে পাওয়া যায়নি সৌরভের সঙ্গে থাকা বন্ধুদেরও। সৌরভের মৃত্যু নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা, দুর্ঘটনা নাকি হত্যা। ঘটনাটির দ্রুত জট খোলার দাবি আত্মীয়-স্বজনদের।
.png)
বগুড়া সদর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দীন জানান, নিহত শিক্ষার্থী সৌরভের মাথা, পাসহ শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যা দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড। আর বন্ধুদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি আরো জানান, নিহত সৌরভের বাবা আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানিয়েছেন। অভিযোগ পেলে দ্রুত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।