আরিচা ফেরিঘাটে অপেক্ষমাণ চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘসময় ফেরি বন্ধ থাকার ফলে পণ্য পরিবহনে তাদের বেশ সমস্যা হচ্ছে।
চালক আব্দুল হালিম বলেন, ‘ফেরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পণ্য সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে আমাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি হচ্ছে এবং খরচও বেড়ে যাচ্ছে।’
.png)
অপরদিকে, কাজিরহাট প্রান্তেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ফলে বেড়েছে ভোগান্তি।
ট্রাকচালক আনোয়ার হোসেন জানান, পণ্য পরিবহনের সময় এভাবে বিলম্ব হওয়ায় আমাদের লাভ কমে যাচ্ছে। যাত্রাপথে ফেরিঘাটে আটকে থাকায় খাবার ও পানি সংকটে পড়েছি আমরা।
বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, নদীতে পানি কমে যাওয়ায় ফেরি চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা ফেরিঘাটের ম্যানেজার আবু আব্দুল্লাহ বলেন, নাব্য সংকটের কারণে নদীর বিভিন্ন অংশে পানি কমে গেছে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে আমরা সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছি। তবে দ্রুত নাব্য সংকটের কারণে খনন কাজ চালাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। ড্রেজিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলেই ফেরি চলাচল পুনরায় চালু হবে।
প্রসঙ্গত, নাব্য সংকটের কারণে শুক্রবার (২ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। এরপর সাড়ে ৩৭ ঘণ্টা পর পুনরায় শুরু হয় ফেরি চলাচল।