পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৭ নভেম্বর ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্ত পরীক্ষায় আব্দুর রহমান জানতে পারেন তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। এরপর তিনি নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিতে থাকেন। হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ২০ নভেম্বর তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি মারা যান।
এদিকে, শরীরে জ্বর অনুভব হলে ১৯ নভেম্বর ছেলে রমজান আলী বেসরকারি একটি হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষায় জানতে পারেন তারও ডেঙ্গু পজিটিভ। এরপর বাড়িতে চিকিৎসা নিতে থাকেন তিনি। শনিবার বাবার মৃত্যুর পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।
.png)
রমজান আলীর আত্মীয় জহুরুল ইসলাম জানান, বাবা আব্দুর রহমান মারা যাওয়ার পর রমজান আলী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থাও সংকটাপন্ন। কমে গেছে রক্তে প্লাটিলেট।