মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গলের পোস্ট অফিস সড়কে পাওয়া যায় এসব মাছ।
নৈশপ্রহরী বিজয় জানান, বিকেলে প্লাস্টিকের ক্যারেটসহ কেউ এখানে মাছগুলো ফেলে গেছেন। রাতে সব দোকান বন্ধ হওয়ার পরই সবার নজরে আসে মাছগুলো। পরে সবাই ভিড় জমান। এসব মাছের নাম সাকার, যা নিষিদ্ধ বলে তারা শুনেছেন।
.png)
শ্রীমঙ্গল প্রেস ক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সদস্য নুর মোহাম্মদ সাগর জানান, রাতে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ঝুড়িতে মাছগুলো দেখতে পান। কাছে গিয়ে বুঝতে পারেন এসব নিষিদ্ধ সাকার মাছ। যেহেতু নিষিদ্ধ মাছ, তাই খাওয়ার উপযোগী নয়। তাই তিনি ফোন করে উপজেলা মৎস্য অফিসে জানান। পরে দিবাগত রাত ১২টার দিকে মৎস্য অফিসের লোকজন এসে মাছগুলো নিয়ে যান।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, মৎস্য অফিসের লোকজন পাঠিয়ে মাছগুলো জব্দ করা হয়েছে। এগুলো মাটিচাপা দেওয়া হবে। সাকার মাছ দেশে নিষিদ্ধ। এই মাছ দেশি প্রজাতির মাছের ডিম ও রেণু খেয়ে মাছের বংশবিস্তারে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
তিনি আরো বলেন, এ মাছ যেকোনো পরিবেশে বাঁচতে পারে ও দ্রুত বংশবৃদ্ধির কারণে দেশি প্রজাতির মাছের সঙ্গে খাদ্য ও বাসস্থান নিয়ে প্রতিযোগিতা করে। মাছটি খাওয়াও যায় না। এ কারণে সরকার মাছটি নিষিদ্ধ করেছে। এই মাছ চাষ ও বিক্রি করা অপরাধ। জলজ জীববৈচিত্র্য নষ্ট করে এই মাছ।