স্বপন মিয়া সদর উপজেলার লক্ষীরচর ইউনিয়নের চর যথার্থপুর ভাটিপাড়া এলাকার শামছুল হকের ছেলে। তার স্ত্রী রুমা আক্তার (১৮) পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর ইউনিয়নের তারাকান্দি শ্রীপুর কুমারিয়া এলাকার রুবেল মিয়ার মেয়ে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই রুমা আক্তার স্বামী স্বপন মিয়ার কথা না শুনে বেপর্দার সঙ্গে চলাফেরা করতে থাকেন। গত ২ নভেম্বর স্বপন মিয়া বাড়িতে না থাকায় রুমার মা রেহেনা বেগম এসে স্টিলের ট্যাংক থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের গলার চেইনসহ তার মেয়েকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। পরে স্বপন বেশ কয়েকবার শ্বশুরবাড়িতে বউকে আনতে গেলে বাড়ির লোকজন আজ না কাল বলে তালবাহনা করতে থাকেন।
.png)
গত শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় স্বপন তার শ্বশুরবাড়ি সদর উপজেলার তারাকান্দি শ্রীপুর কুমারিয়া এলাকায় রুমার বাড়িতে গেলে তার শাশুড়ি ও পরিবারের লোকজন তাদেরপ্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বিভিন্ন হুমকি দেন।
এদিকে স্বপন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি জানতে পারি- রুমা সিরাজগঞ্জের এক টিকটকারের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছেন। এমন খবরে আমি শ্বশুরবাড়িতে গেলে শাশুড়ি সাফ জানিয়ে দেন রুমা তার সঙ্গে ঘর-সংসার করবেন না এবং রুমাকে অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দ্বারা আমার ওপর হামলা ও মামলা দিয়ে জেলখাটানোর হুমকি দেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।’
এ বিষয়ে রুমার মা রেহেনা বেগমকে মুঠোফোনে বক্তব্য চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
জামালপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) আনিছুর আশেকীন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।