তিনি বলেন, কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্য পান সেজন্য ধান ও চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। গত বছর চাল কেনা করা হয়েছিল প্রতিকেজি ৪৪ টাকা। এবার তিন টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭ টাকা এবং ধান সংগ্রহ কেজিপ্রতি ৩০ টাকা থেকে ৩৩ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে নীলফামারীর সার্কিট হাউজ হলরুমে রংপুর বিভাগের জেলা প্রসাশক ও খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
.png)
উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সরকার দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে বিভিন্ন সময় ধান-চাল সংগ্রহ করে থাকে। এ বছরও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। এতে একদিকে যেমন কৃষকরা তাদের উঠতি ফসল বিক্রি করে লাভবান হয়। অপরদিকে, এই মজুতকৃত খাদ্যশষ্য দেশের আপতকালীন সময়ে ওএমএস বা বিভিন্ন পদ্ধতিতে মার্কেটে ছাড়া হয়।
তিনি আরো বলেন, জানুয়ারির মধ্যে খাদ্যশষ্য সংগ্রহে রংপুর বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে। এছাড়া কৃষিপ্রধান এ বিভাগ থেকে অন্যান্য জেলার চাহিদা মেটাতেও খাদ্যশষ্য সংগ্রহ করা হবে।