প্রকৃত কারণ উদঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বয়রাকান্দি গ্রামে নয়া মিয়ার নাতি নিরব মিয়ার (১৪) সঙ্গে তার সহপাঠী মামুন, কাওসার, হেলাল ও রাজনের লুডু খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। তারাবি নামাজের পর এই বিরোধ মারামারিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ হেলালের পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে।
.png)
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হেলালের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি নিরবের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীদের হাত থেকে নাতি নিরবকে বাঁচাতে তার দাদা নয়া মিয়া এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করে।
পরিবারের দাবি, হামলাকারীরা নয়া মিয়ার পেটে গাছের ডাল দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে, ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের ছেলে বিপুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবাকে গাছের ডাল দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। পুলিশের সামনেই ঘটনাস্থলে আমার বাবার মৃত্যু হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এ হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার চাই।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান, বাড়িঘরে হামলা চালানোর ঘটনায় কৃষক নয়া মিয়া আতঙ্কিত হয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।