উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর প্রায় ১৫৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের বীজ আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে জনপ্রিয় ‘মেটাল কিং’, ‘তাহেরপুরী’ এবং একটি উন্নত জাতসহ মোট ৬ থেকে ৭ প্রকার জাতের বীজ চাষ হচ্ছে। কয়েক বছর আগে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এ চাষ এখন বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে।
স্থানীয় কৃষক হান্নান আলী বলেন, প্রতিবছরই পেঁয়াজের বীজ চাষ করি। এবছর জমির পরিমাণ বাড়িয়েছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে লাভের সম্ভাবনা অনেক। তবে বৈশাখে শিলাবৃষ্টি বড় ঝুঁকি। শিল পড়লে কদম ফুল নষ্ট হয়ে যায়। আমাদের কাছে পেঁয়াজের কদমের বীজ ‘কালো সোনা’ দাম বেশি লাভও বেশি। নতুন চাষিরাও এ বছর বীজ আবাদে আগ্রহ দেখিয়েছেন।
.png)
তারা জানান, আগে কেবল পেঁয়াজ উৎপাদন করলেও এবার প্রথমবারের মতো বীজ চাষ করেছেন। বাজারে চাহিদা ভালো থাকায় লাভের আশা করছেন তারা। কৃষকদের মতে, সময়মতো সেচ, সার প্রয়োগ, আগাছা দমন ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা গেলে ফলন আরও বৃদ্ধি পাবে।
গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ বলেন, এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনের জন্য উপযোগী। আমরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছি। সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া সম্ভব।
স্থানীয় বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উৎপাদন ভালো হলে গোদাগাড়ীর পেঁয়াজের বীজ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা যাবে। এতে কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।