শনিবার (৭ মার্চ) রাতে দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। এলাকাবাসীর মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানায়, সোহাগ উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির, সে প্রায়ই স্ত্রীকে নির্যাতন করে। সম্প্রতি স্বামীর নির্যাতনের একটি ঘটনা তাদের ঘরের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। পরে বিষয়টি নিয়ে মানুষের মাঝে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তারা এ ঘটনায় জড়িত পাষণ্ড স্বামী সোহাগের উপযুক্ত শাস্তি কামনা করেন।
.png)
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার জব্বার মাঝির ছেলে সোহাগ মাঝি দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে পারিবারিক কলহের জেরে প্রকাশ্যে তার স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতন করেন। ঘটনাটি তার নিজ ঘরের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত স্বামী সোহাগ প্রকাশ্যে স্ত্রীকে মারধর করছেন এবং তাকে লাঞ্ছিত করছেন। এ সময় আশপাশের কিছু লোকজন ঘটনাটি দেখলেও কেউ কেউ ভয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেননি।
নির্যাতনের শিকার স্ত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বলেন, আমি ওই স্বামী নামের নরপশুর বিচার চাই। আর কোনো মেয়ে যেন এমন নির্যাতনের শিকার না হয়।
রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও দেখেই তাকে গ্রেফতারের জন্য থানা পুলিশকে বলা হয়েছে।
রায়পুর থানার ওসি শাহিন মিয়া বলেন, ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত সোহাগ মাঝিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।