বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিনগত গভীর রাতে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৪ জন ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে ১০ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি বাস ও বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণ হারান দুই পরিবারের ১৩ জন এবং মাইক্রোবাসের চালক।
.png)
পরিবারের সদস্যরা বলছেন, দুপুরে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা এলাকার মিতুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাব্বির। পরে নববধূকে নিয়ে মোংলার নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয় পুরো পরিবার। মোংলা উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় আসলেই ঘটে দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকসহ বর পরিবারের ১০ জন, কনে পরিবারের তিনজন ও চালকসহ ১৪ জন নিহত হন।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাসান জানান, নিহতদের সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিলেন। মাইক্রোবাসে বর পরিবারের ১১, কনে পরিবারের ৩ জন ও চালকসহ মোট ১৫ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ১৪ জনই মারা যান।
রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।