এর আগে, শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার জাঙ্গালিয়া এলাকায় অবস্থিত পদুয়ার বাজার লেভেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফচিয়ার রহমান মহম্মদপুর উপজেলার বাঁশো গ্রামের বাসিন্দা ওহাব শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন টেইলার্স ব্যবসায়ী এবং বিকাশ এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর খবরে মহম্মদপুরের নিজ বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম।
এদিকে দুর্ঘটনায় নিহত ১২ জনের মধ্যে মহম্মদপুর উপজেলার এক যুবকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার।
.png)
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে স্ত্রীকে আনতে বিকেলে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন ফচিয়ার। পথিমধ্যে চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে আসা মামুন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে করে যাওয়ার সময় পদুয়ার বাজার লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার মুহূর্তে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রেনের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি।
মহম্মদপুর থানার ওসি মোহাম্মাদ আশরাফুজ্জামান বলেন, ফচিয়ার রহমানের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি মহম্মদপুর উপজেলার বাঁশো গ্রামে আনা হয়েছে। আজ সকালে গ্রামের বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলেও জানান তিনি।