
জানা গেছে, হবিগঞ্জ শহরের সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে সভা করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। সভা শেষে গাড়ি বহর নিয়ে ফেরার পথে কোর্ট মসজিদ এলাকায় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। এসময় কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে শহরের সোনালি ব্যাংকের সামনে আবারো দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। হামলার সময় সোনালি ব্যাংক চত্বরে গিয়ে আশ্রয় নেন সারজিস আলম। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং সারজিস আলমকে উদ্ধার করে নিরাপদে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে নিয়ে আসে।
.png)
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা শান্তিপুর্ণভাবে কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অন্তত১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। ’
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এনসিপির নেতাকর্মীরা সমাবেশে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের গালাগালি করে। এরই প্রতিবাদ করায় তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।’

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ বলেন, ‘পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।’