নিহত হেলাল হোসেন সাগর ওই এলাকার আমীর হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় ছিলেন রাজমিস্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার পাশের ঘরের চাচির মাটির ব্যাংক চুরি হলে হেলালকে অভিযুক্ত করেন চাচা-চাচি। দায় স্বীকার করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলে ক্ষমা চাইলেও চাচা-চাচি ক্ষমা না করে উল্টো থানাপুলিশের হুমকি দিলে হতাশাগ্রস্ত হয়ে লজ্জা ও অপমানে রোববার রাতে ঘরের আঁড়ার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে পারিবারিকভাবে জানানো হয়।
.png)
নিহতের বাবা আমীর হোসেন জানান, সকালে ছেলের মা তার গামছা খুঁজতে গেলে রুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ দেখে দরজার ফাঁক দিয়ে দেখেন ছেলের নিথর দেহ খাটের ওপর পড়ে আছে। অনেক ডাকাডাকির পর দরজা না খোলায় ফাঁক দিয়ে দরজা খুলে দেখেন ছেলের নিথর দেহ খাটের ওপর পড়ে আছে। তিনি বলেন, পুরাতন গামছা হওয়াতে তা ছিঁড়ে পড়ে যায়। পরে অন্যদের সহযোগিতায় মরদেহ ঘরের সামনের রুমে এনে রাখেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, প্রাথমিকভাবে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।