শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিনের ছোট ভাই জুয়েল জানান, শুক্রবার বিকেলে শিশুদের ফুটবল খেলার সময় এক শিশুর পায়ে অন্য এক শিশু আঘাত করলে তাকে চড় মারা হয়। এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা লতিফের কাছে বিচার দেওয়া হলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
.png)
জুয়েলের অভিযোগ, শুক্রবার বিরোধ মীমাংসার জন্য তিনি এগিয়ে গেলে কয়েকজন তাকে মারধর করেন। এর জের ধরে শনিবার বিকেলে কয়েকজন তাদের বাড়ির সামনে এসে গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় আল আমিন এর প্রতিবাদ করলে ১৫ থেকে ২০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলায় আল আমিনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের ছোট ভাই জুয়েল, রানা মিয়া (৩০) ও রবিন মিয়া (২৫)। রবিন মিয়া তোফাজ্জল মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, আব্দুর নুর, লতিফ, আব্দুল কুদ্দুস, সুলতান, মহিবুর, মোফাজ্জল, আতাবুর, আব্দুর শহীদ ও জাকিরসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।