সাত দিনব্যাপী ওরশ শেষে মাজারের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এরপর সোমবার সকাল ৯টা থেকে টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। গণনা শেষ হয় মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে।
মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের ১৬ কর্মকর্তা এবং মাজার শরীফ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী টাকা গণনায় অংশ নেন। উপজেলা প্রশাসন, মাজার পরিচালনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা ও গণনার পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
.png)
মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু জানান, গত ১০ আগস্ট শুরু হওয়া সাত দিনব্যাপী ওরশ ১৬ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। ওরশ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও আশেকান মাজারে আসেন।
তিনি বলেন, ভক্তরা দানবাক্সে নগদ টাকার পাশাপাশি সোনা-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন। ওরশ শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা ও টাকা গণনা করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি নিরাপদ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
ওরশকে কেন্দ্র করে সড়ক, রেল ও নৌপথে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ খড়মপুরে আসেন। এতে মাজার ও আশপাশের এলাকা কয়েক দিন ধরে জনসমাগমে মুখর হয়ে ওঠে। প্রতিদিন বাদ আসর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ধর্মীয় আলোচনা, জিকির, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।