নিহতের পরিবারের দাবি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সোহাগের মৃত্যু হয়েছে। তবে বিএসএফের গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
.png)
হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, বিএসএফ গুলি করেছে কি না, বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। আন্তঃকোন্দল কিংবা ভারতীয় বেসামরিক দুষ্কৃতকারীদের কারও হামলায় এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। নিহত যুবক ভারতের বেশ ভেতরে চলে গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ওই এলাকা পাহাড়ি ও ঘন জঙ্গলে ঘেরা। বিষয়টি নিয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
নিহতের চাচা আব্দুল কাদিরের দাবি, রোববার সকালে সোহাগ সীমান্ত এলাকায় গরু চড়াতে যান। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি ছোড়েন। গুলির পর সোহাগের কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে সীমান্ত এলাকায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা।
পরে আব্দুল কাদিরসহ কয়েকজন সোহাগকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিরাজাম মুনিরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।