গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় ইরাকের রাজধানী বাগদাদ শহরের আল মনসুর নামক এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে দায়িত্ব পালন করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ অপেক্ষা আর কষ্টের প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার সময় তার মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছায়।
.png)
এর আগে ইরাক থেকে একটি ফ্লাইটে বুধবার রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশের মাটিতে মরদেহটি আসে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় মরদেহটি পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
মরদেহটি নিজ বাড়িতে নিয়ে এলে পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। শেষবারের মতো এক নজর দেখার জন্য প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনরা তার বাড়িতে ভিড় জমায়।
পরিবারে সচ্ছলতা ফেরাতে ৮ বছর আগে দেশ ছাড়েন রেজাউল ইসলাম। কষ্টের অর্জিত টাকা দিয়ে তৈরি করেছিলেন একটি বিলাসবহুল বাড়ি। বাড়িতে চলছিল তার বিয়ের প্রস্তুতি। শিগগিরই তার বাড়িতে ফিরে এসে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে গেল।