সোমবার নাটোরের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মো. সাইফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রজন আলীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে উভয় ধারায় ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে দুটি সাজা একযোগে কার্যকর হবে। ফলে তাঁকে মোট ১০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মামলার বিচারাধীন সময়ে তিনি যে সময় হাজতে ছিলেন, তা মূল সাজা থেকে বাদ যাবে।
.png)
রজন আলী রাজশাহী জেলার বোয়ালিয়া থানার সুজানগর (সপুরা) এলাকার মো. কেতাব আলীর ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৮ জুন সন্ধ্যায় র্যাব-৫ রাজশাহীর একটি দল নাটোর সদর থানার বনবেলঘড়িয়া বাইপাস মোড়ে অবস্থান নেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী থেকে পাবনাগামী ‘মেহেদী পরিবহন’ নামের একটি বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাস থেকে রজন আলীকে আটক করা হয়।
পরে তাঁর দেখানো মতে, বাসের আসনের ওপরের র্যাকে রাখা একটি ব্যাগ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড তাজা গুলি ও নগদ ৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় র্যাব-৫-এর এসআই (নিরস্ত্র) শ্রীনিবাস মিস্ত্রী বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন।
মামলার বিচার শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রজন আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে ওই সাজা দেন।
এ ছাড়া উদ্ধার করা অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত সরকারি অস্ত্রাগারে জমা দেওয়ার জন্য নাটোরের কোর্ট ইন্সপেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।