ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

সালথায় এবার ভাঙা কালভার্ট সংস্কারে যুবদল নেতার উদ্যোগ

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:৫৮, ৩ নভেম্বর ২০২৬
সালথায় এবার ভাঙা কালভার্ট সংস্কারে যুবদল নেতার উদ্যোগ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরের সালথায় ব্যক্তিগত অর্থায়নে দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকা একটি কালভার্ট সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. এনায়েত হোসেন। রড, সিমেন্ট ও বালু দিয়ে আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে কালভার্টটি চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। এর আগে নিজ উদ্যোগে ১৫০ ফুট ইটের রাস্তা ও একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে আলোচনায় আসেন এই যুবদল নেতা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া-মোন্তার মোড় আঞ্চলিক সড়কের ইজারাপাড়া ডাঙ্গী জামে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় কালভার্টটির সংস্কারকাজ করতে দেখা যায়। স্থানীয়দের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঢালাইয়ের মাধ্যমে এটি মেরামত করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা হুমায়ুন মোল্লা জানান, প্রায় দুই বছর আগে কালভার্টটির নিচের মাটি ধসে পড়লে এটি একদিকে হেলে যায় এবং ভেঙে পড়ে। পরে সাময়িকভাবে চলাচলের সুবিধার্থে প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে কাঠের তক্তা বসানো হয়। তবে চলতি বছরের বৃষ্টিতে সেগুলোও ভেঙে যায়। কয়েক দিন আগে কালভার্টটি পুরোপুরি দুই ভাগ হয়ে পড়লে সড়কটিতে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।

মোশাররফ হোসেন নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, সড়কটি স্থানীয় মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ায় পাট, পেঁয়াজ ও ধানসহ বিভিন্ন ফসল বাজারে নেওয়া এবং কৃষি উপকরণ আনা-নেওয়ায় কৃষকদের সমস্যা হচ্ছিল। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে দুর্ভোগ বেড়েছে। এনায়েত হোসেনের উদ্যোগে আপাতত স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

এনায়েত হোসেন বলেন, কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা থাকায় এলাকার মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে অপেক্ষা না করে নিজ উদ্যোগে সংস্কারকাজ শুরু করেছেন তিনি। ব্যক্তিগত অর্থায়নে রড, সিমেন্ট ও বালু দিয়ে আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে কালভার্টটি চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করছেন। জনসাধারণের ভোগান্তি কমানোই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

এর আগে একই ইউনিয়নের তুগোলদিয়া গ্রামে পূজামণ্ডপে যাতায়াতের জন্য ১৫০ ফুট ইটের রাস্তা নির্মাণ করেন এনায়েত হোসেন। পাশাপাশি তুগোলদিয়া ও ইউসুফদিয়ার সংযোগস্থলে তৈরি করেন একটি বাঁশের সাঁকো। স্থানীয় প্রয়োজন বিবেচনায় তাঁর এসব উদ্যোগ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনা ও প্রশংসা রয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/শালথা/এমকে
ট্যাগ: ফরিদপুর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!