২০২১ সালে বিশ্বে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। বৈশ্বিক রফতানিতে অংক ছিল ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। ২০২২ সালে সেই অংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার (৩১ জুলাই) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৩’ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।
.png)
এতে বলা হয়, চীন এখনো সবচেয়ে বড় পোশাক রফতানিকারক দেশ। বিশ্ব বাজারে ২০২২ সালে পোশাক রফতানিতে চীনের অংশ ছিল ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ।
ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৩-এ বলা হয়, ২০২২ সালে ভিয়েতনাম তৃতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক দেশ ছিল। ২০২২ সালে বাংলাদেশ ৪৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি করেছে।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে চীন ১৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করে ও ভিয়েতনাম রফতানি করে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক।
ডব্লিউটিওর প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখে যায়, গত বছর বিশ্ববাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের হিস্যা বেশ খানিকটা বেড়েছে। ২০২২ সালে বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। ২০২১ সালে এ হার ছিল ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর আগে ২০২০ সালে ৬ দশমিক ৩০ ও ২০১৯ সালে ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ ছিল এ হার।
তৈরি পোশাক রফতানির বিশ্ববাজারে গত বছর বাংলাদেশের মতো ভিয়েতনামের হিস্যাও খানিকটা বেড়েছে। বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে তাদের অংশ দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ। ২০২১ সালে যা ছিল ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ।
বরাবরের মতো চীনের তৈরি পোশাক রফতানিই সবচেয়ে বেশি। গত বছর ১৮২ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি করেছে দেশটি। যদিও গত বছর পোশাক রফতানির বাজারে তাদের অংশ কিছুটা কমে হয়েছে ৩১ দশমিক ৭০ শতাংশ। ২০২১ সালে যা ছিল ৩২ দশমিক ৮০ শতাংশ।
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও জোটগতভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বৈশ্বিক পোশাক রফতানির বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সে হিসাবে বাংলাদেশ তৈরি পোশাকের তৃতীয় সর্বোচ্চ রফতানিকারক, চতুর্থ ভিয়েতনাম। অবশ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোন দেশ কী পরিমাণ রফতানি করেছে তা উল্লেখ করা হয়নি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতিবেদনে।
অন্য দেশগুলোর মধ্যে গত বছর তুরস্ক ২০ বিলিয়ন, ভারত ১৮ বিলিয়ন, ইন্দোনেশিয়া ১০ বিলিয়ন, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তান ৯ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে।