ড্রেস লাইন বাংলাদেশ স্টলের মালিক ও বিক্রেতা রুবেল হোসেন বলেন, গত আসরের তুলনায় মেলায় এবার ক্রেতা অনেক কম হয়েছে। অনেকে মেলা ঘুরে দেখতে আসেন। আবার অনেকে দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। এখনও অনেক দিক বাকি আছে। আশা করছি, শুক্রবার থেকে মেলা পুরোদমে জমে উঠবে।
সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া মেলায় এসেছেন আরাফ হোসেন। তিনি বলেন, মেলা এখনও সেভাবে জমে ওঠেনি। অনেক স্টলের কাজ সম্পন্ন হয়নি। মেলা জমে উঠতে সময় লাগবে।
.png)
তবে মেলায় খাবারের দোকান ও শিশুদের জন্য মিনি পার্কের স্থানে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। সেখানে মিনি পার্কে বিভিন্ন রাইডে শিশুসহ পরিবার সদস্যদের ভিড় দেখা গেছে।
দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রথম দিকে তীব্র শীত ছিল। এছাড়া অনেক স্টল নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজ অসম্পূর্ণ ছিল। দিন যত গড়াচ্ছে সমস্যা তত কমে আসছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের আসরে স্টলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫১টি। যা বিগত বছরে ছিল ৩৩১টি। দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, হংকং, ইরান, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নেয়া ব্যবসায়ীরা মেলায় নিজেদের পণ্য বিক্রি করছেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর মেলায় প্রবেশমূল্যও বেড়েছে। এ বছর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা ও ১২ বছরের কম বয়সীদের জন্য ২৫ টাকা টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে। যা গত বছর ছিল যথাক্রমে ৪০ ও ২০ টাকা।
মেলায় গেট ইজারাদার আবদুল্লাহ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সালাউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, মেলায় ছুটির দিনে লোকসমাগম বেশি হয়। আশা করছি, লোক সমাগম গত শুক্রবারের তুলনায় বেশি হবে।