এনবিআরের চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি নির্দেশনায় বলা হয়, ৮ জুলাই ২৪ নম্বর আয়কর পরিপত্রের ০৩(০৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আট শ্রেণির ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, যাদের মধ্যে ধর্মীয় উপসনালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠানও রয়েছে, তাদের মোটরগাড়ি নিবন্ধন ও ফিটনেস নবায়নে আয়কর মওকুফ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের আওতায় ইসকনের মালিকানাধীন গাড়িগুলোর জন্য শুল্ক মাফ দেওয়া হয়।
এনবিআরের এ নির্দেশনায় মোটরযানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেট্রো-চ-৫৬-০৩০৫, ঢাকা মেট্রো-গ-৩৯-৭৮৫১, রংপুর-চ-৫১-০০২৪ সহ আরো একাধিক গাড়ি।
.png)
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান বলেন, এ ধরনের শুল্ক সুবিধা দেওয়া একটি নিয়মবিরুদ্ধ পদক্ষেপ হতে পারে, কারণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুল্ক মাফ দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের অনুমোদন প্রয়োজন।
এছাড়া, একাধিক কর্মকর্তার মতে, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক সুবিধা দেওয়ার আগে আইনগত প্রক্রিয়া ও নীতিমালা মেনে অনুমোদন নেয়া উচিত ছিল, যা এই ক্ষেত্রে হয়নি বলে মনে করা হচ্ছে। তারা বলছেন, এটি সরকারের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া করা হয়েছে কিনা, সেটা খতিয়ে দেখা জরুরি।
তবে এনবিআর-এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।