রোববার রাতে ঢাবির এক শিক্ষার্থী বাদী হয়ে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলাটি করেছেন। মামলায় নুরসহ একাধিক জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজহারে অভিযোগকারী বলেন, গত ২০ জুন ৩ নং বিবাদী নুরুল হক নুরকে মৌখিকভাবে জানালে তিনি জানান- অভিযুক্ত ব্যক্তি (মামুন) আমার পরিষদের, আমার সহযোদ্ধা। তার সঙ্গে বসে একটি সুব্যবস্থা করে দেব। এরপর ২৪ জুন নুরুল হক নুর মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে আমার সঙ্গে নীলক্ষেতে দেখা করতে আসেন। কিন্তু তখন তিনি মীমাংসার আশ্বাস এড়িয়ে আমাকে এই বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেন। আর আমি যদি বাড়াবাড়ি করি তাহলে তাদের ভক্তদের দিয়ে আমার নামে উলটাপালটা পোস্ট করাবে এবং আমাকে পতিতা বলে তারা প্রচার করবে তাদের ছাত্র অধিকার পরিষদের মেম্বাররা।
.png)
তিনি আরো বলেন, তার একটি লাইভে আমার সব সম্মান চলে যাবে। এরইমধ্যে মামলার ৪ নং আসামি সাইফুল ইসলাম আমার নামে কুৎসা রটাতে ৫ ও ৬ নং বিবাদীকে লাগিয়ে দেয় চ্যাট গ্রুপে (মেসেঞ্জারে)। এরপর আমার চরিত্র নিয়ে বিভিন্নভাবে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার মতো কাজ করেন। ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃস্থানীয় প্রায় সব নেতাকর্মী এসব ঘটনা সম্পর্কে জানেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন বিষয়টিকে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য কাজ করতে চাইলেও বিবাদীরা তাদের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রকারী বলে আখ্যা দেয় বলে আমি জানতে পারি।
পুলিশের লালবাগ জোনের সহকারী কমিশনার কে এম রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ধর্ষণে সহযোগিতাকারী হিসেবে নুরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার বলেন, ধর্ষণের ঘটনা পরম্পরায় ভিপি নুরের নাম উঠে আসায় তাকে সহযোগী হিসেবে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে।
এর আগে, ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন চলাকালীন রোকেয়া হলের প্রভোস্টকে লাঞ্ছিত ও ভাঙচুরের অভিযোগে নুরসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।