১। কোষ কী?
উত্তর: জীবদেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে।
.png)
২। কোষ বিভাজন কাকে বলে?
উত্তর: যে পদ্ধতিতে একটি মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে অপত্য কোষের সৃষ্টি হয় তাকে কোষ বিভাজন বলে।
৩। ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোকাইনেসিসের ব্যাখ্যা দাও।
উত্তর: আমরা জানি, মাইটোসিস কোষ বিভাজন একটি ধারাবাহিক পদ্ধতি। মাইটোসিস কোষ বিভাজনটি দুইটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। প্রথম পর্যায়ে নিউক্লিয়াস এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে সাইটোপ্লাজমের বিভাজন হয়। নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস বলে।
৪। মাইটোসিস কী?
উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস একবার বিভাজিত হয়ে সম-আকৃতির, সমগুণসম্পন্ন ও সমসংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে মাইটোসিস বলে।
৫। মিয়োসিস কী?
উত্তর: যে কোষ বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি পরপর দুইবার বিভাজিত হলেও ক্রোমোজোমের বিভাজন ঘটে মাত্র একবার। ফলে অপত্য কোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায় তাকে মিয়োসিস বলে।
৬। মাইটোসিসকে কেন সমীকরণিক বিভাজন বলে?
উত্তর: মাইটোসিস কোষ বিভাজনে প্রতিটি ক্রোমোজোম লম্বালম্বিভাবে দু’ভাগে বিভক্ত হয়। ফলে সৃষ্ট নতুন কোষ দু’টিতে ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ মাতৃকোষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ এর সমান থাকে। তাই মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে সমীকরণিক বিভাজন বলে।
৭। মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মধ্যে পার্থক্য লেখ।
উত্তর: মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের পার্থক্য নিচে দেয়া হলো।
মাইটোসিস কোষ বিভাজন:
ক. মাইটোসিস কোষ বিভাজন দেহ কোষে ঘটে
খ. একটি কোষ থেকে দুটি কোষ হয়।
গ. ক্রোমোজোমের সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে।
ঘ. ডিপ্লয়েড ও হ্যাপ্লয়েড উভয় কোষে ঘটে।
মিয়োসিস কোষ বিভাজন:
ক. মিয়োসিস কোষ বিভাজন জনন কোষে ঘটে।
খ. একটি কোষ থেকে চারটি কোষ হয়।
গ. ক্রোমোজোমের সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে।
ঘ. শুধুমাত্র ডিপ্লয়েড কোষে ঘটে।
৮। জিন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA । সাধারণত ক্রোমোজোমের অণুগুলোই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক। তাই বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA এর অংশকে জিন নামে অভিহিত করা হয়। সুতরাং জিন হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত DNA । DNA অণু জিনের রাসায়নিক রূপ।