এ তিনটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কবে স্নাতক প্রথম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে সে বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি অনুমোদন দিলেই সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
গতকাল মুঠোফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিন প্রকৌশল সমন্বিত ভর্তি কমিটির সভাপতি ও চুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম।
.png)
তিনি জানান, চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটের ভর্তি প্রক্রিয়া এখনো চলমান৷ তবে দ্রুতই পুরোপুরি শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। ‘ক’ গ্রুপ (ইঞ্জিনিয়ারিং, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ) ও ‘খ’ গ্রুপের (ইঞ্জিনিয়ারিং, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা এবং স্থাপত্য বিভাগ) সব আসনই মোটামুটি পূরণের পথে। কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করলে সেই আসনে পরবর্তী মেধাতালিকার অন্য শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। সেক্ষেত্রে আরও যদি কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করতে ইচ্ছুক হয় ওরিয়েন্টেশনের পরে ঐ আসনে আর শিক্ষার্থী ভর্তির কোনো সুযোগ নেই। তাই আমরা সবদিক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।
তিনি আরও জানান, এবছরই প্রথমবারের মতো তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও একাডেমিক কার্যক্রম অনলাইনে নাকি অফলাইনে শুরু হবে সেটি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিবে৷ চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় বিষয়টি দেখছেন।
চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটের ভর্তি সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া ১৮ জানুয়ারির তথ্য মতে তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক গ্রুপে মোট ২৯৪১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি অবস্থায় আছে। এছাড়া খ গ্রুপে ৬৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি অবস্থায় রয়েছে।
কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করলে মেধাতালিকার পরবর্তী শিক্ষার্থীদের নোটিশের মাধ্যমে কল করা হচ্ছে। সে হিসেবে ১৯ জানুয়ারিতেও কিছু শিক্ষার্থী কল করা হয়েছিলো। কিন্তু উপস্থিত প্রার্থীদের তুলনায় সেই সংখ্যক আসন খালি (ভর্তি বাতিলজনিত কারণে) না হওয়ায় তাদের অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে কেউ ভর্তি বাতিল করলে তাদের নোটিশ দিয়ে জানানো হবে। তখন তারা ভর্তি ফি জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে পারবে।
ভর্তির এ প্রক্রিয়া ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের পূর্ব পর্যন্ত চলমান থাকবে এবং অটো মাইগ্রেশন প্রক্রিয়াও চলমান থাকবে বলে জানা গেছে।