শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে সংগঠনটির সাবেক সভাপতি সামছুল ইসলাম রাজু নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।
আরো পড়ুন: উত্যক্ত করায় ২ বহিরাগতকে আটকালেন জাবি ছাত্রীরা
.png)
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান লিটন উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বাঁধনের বিভিন্ন ছাত্র এবং ছাত্রী হল ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং জাবি জোনের উপদেষ্টারাও উপস্থিত ছিলেন।
নতুন এ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম ও জহিরুল ইসলাম, সহ সভাপতি মনিকা আক্তার, সহ সভাপতি মো. সুজন মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক তাসলিমা আক্তার, কোষাধ্যক্ষ মাসতুরা তাবাসসুম তাইফা, দফতর সম্পাদক রোকাইয়া সুলতানা রিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাদিয়া আক্তার এবং তথ্য ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মরিয়ম আক্তার উর্মি। এছাড়া কমিটিতে নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন উম্মে কুলসুম লিলি ও কাশবাই জান্নাত ঐশী।
আরো পড়ুন: জাবির ছাত্রকে লাঞ্ছিত করায় দুই ছাত্রী বহিষ্কার
জানতে চাইলে নতুন সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, সবসময় মানুষের জন্য কিছু করার প্রয়াস থেকেই বাঁধনের সঙ্গে কাজ করা। আর নিজেকে বাঁধনের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়ার সাহস পাই কিছু মানুষের জন্য যারা নিয়মিত রক্তদান করে যাচ্ছে। আমরা বাঁধন কর্মীরা সমন্বয়ক মাত্র। তাই মানুষের জন্য আমাদের কাজ করা। এই সকল নিবেদিত প্রাণ, যারা নিয়মিত রক্তদান করে যাচ্ছেন তাদের সব সময় পাশে চাই এবং মানুষের পাশে থাকতে চাই।
নতুন সভাপতি শাকিল আহমেদ ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, বাঁধনের মত মহৎ সংগঠনের সাথে কাজ করাটা সবসময়ই সৌভাগ্যের। পাশাপাশি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার মাঝে আলাদা অনুভূতি কাজ করে। আমি মনে করি, ভালো কাজের প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিয়ে জাবি জোনকে দেশের অন্যতম একটি শক্তিশালী জোন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সবার দোয়া ও সমর্থন একান্তভাবে কামনা করছি।
আরো পড়ুন: জাবিতে ছাত্রীর বিরুদ্ধে ছাত্রকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাংগঠনিক রিপোর্টে দেখা যায়, ওই বছরে বাঁধনের রক্ত সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৯২২ ব্যাগ। এর মধ্যে নতুন ডোনার ছিলেন ২৫৬ জন।