হিমেলের নানা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিয়ের পর পৌর কর্মচারী স্বামী আহসান হাবীবকে নিয়ে তার মেয়ের সুখের জীবন ছিল। চার বছর আগে বগুড়ার শেরপুর থেকে মোটরসাইকেলে করে নাটোর আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন হিমেলের বাবা–মা। সেই জটিলতায় বছরখানেক ভুগে মারা যান হিমেলের বাবা আহসান হাবীব। হিমেলের মা প্রাণে বেঁচে গেলেও মানসিক রোগীতে পরিণত হন। এখনো তার চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরো বলেন, মেয়ের জামাই আহসান হাবীবের মৃত্যুর পর জামাইয়ের মা আমেনা বেওয়া শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
.png)
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ট্রাকচাপায় বিশ্ববিদ্যালয়টির চারুকলা বিভাগের ছাত্র মাহমুদ হাবিব হিমেল নিহত হন। একই দুর্ঘটনায় হিমেলের সঙ্গে তার বন্ধু মৃৎশিল্প ও ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান প্রামাণিক আহত হন। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রায়হান এখন শঙ্কামুক্ত।
এদিকে বুধবার নাটোরে নানাবাড়িতে মাহমুদ হাবিব হিমেলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।