শনিবার (১৯ মার্চ) শহিদ মিনার চত্বর থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে সন্ধ্যায় প্রক্টর দফতরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
আটকরা হলেন নাটোরের হুগোলবাড়িয়ার মলি খাতুন, রাজশাহী নগরীর মেহেরচন্ডীর সজীব ইসলাম, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার অর্পিতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার শাকিল, শামীম রেজা এবং রাজ আহমেদ। তারা কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না।
.png)
জানা যায়, শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জুতাপায়ে দুইজন ছেলে আর মেয়ে ‘অশালীনভাবে’ ভিডিও ধারণ করছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়টি দেখে প্রক্টরকে খবর দেয়। প্রক্টর এসে ৪ জন টিকটকার ও দুই ক্যামেরাম্যানকে আটক করে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, কয়েকজন তরুণ-তরুণী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে অশালীন কার্যক্রম করছে, এমন খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা সেখানে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন জুতা পায়ে শহিদ মিনারের বেদীতে উঠে দৃষ্টিকটু ভঙ্গিতে ভিডিও তৈরি করছেন।
তিনি আরো বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রক্টর দফতরে নিয়ে আসা হয়। তারা জানায়, শহিদ মিনারে টিকটক ভিডিও করছিলেন। এ ধরনের কাজ ভবিষ্যতে আর না করার শর্তে, তাদেরকে সন্ধ্যার দিকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তারা কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়।