জিম্মি করে তার সেই স্মার্টফোনটি নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। ছিনতাইকারীদের মারধরেরও শিকার হন তিনি। শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকালে নোয়াখালী পৌর শহরের সোনাপুর এলাকা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পথে এ ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল তানিমের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে ফোন উদ্ধার অভিযানে নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিক সংগঠন প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীরা। স্থানীয়দের নিয়ে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয় প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীরা। পরে ফোনটি ইসমাইলের হাতে তুলে দেন প্রেসক্লাবের সভাপতি রাহী রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার নাসের।
.png)
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়া ইসমাইল বলেন, আমরা দূর থেকে এসেছি এখানে কাজ করতে। গতকাল বাজার করতে গিয়ে আসার পথে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ি। তারা আমাদের মারধর করে ফোন নিয়ে মাদকদ্রব্য দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। আমাদের হত্যার হুমকি দেয়। ভয়ে আমার কষ্টের টাকায় কেনা ফোনটা তাদের দিয়ে চলে আসি। পরে প্রেসক্লাব বিষয়টি জানতে পেরে অনেকটা সময় দিয়ে গভীর রাতে আমার ফোনটা উদ্ধার করে। আমি প্রেসক্লাবকে ধন্যবাদ জানাই।
এ ব্যাপারে নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সভাপতি রাহী রহমান বলেন, গতকাল জানতে পারি একজন নির্মাণ শ্রমিকের ফোন হারানো গেছে। মানবিক দিক বিবেচনা করে এরপরই আমরা ফোন উদ্ধার অভিযানে নামি। স্থানীয়দের নিয়ে গভীর রাতে ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হই।
নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার নাসের বলেন, মানুষের বিপদে পাশে থাকা, মানুষের জন্য কিছু করতে পারাটাই প্রকৃত সাংবাদিকতা। ক্যাম্পাসের কেউ কোনো বিপদে পড়ে প্রেসক্লাবকে জানালে আমরা কিছু করার চেষ্টা করি। প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, স্থানীয় কমিউনিটির সহযোগিতা নিই। প্রেসক্লাব সবসময় শুভ কাজের সঙ্গে থাকবে।