ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

জটিল রোগে আক্রান্ত ইবি শিক্ষার্থী রাজ, সাহায্যের আবেদন

ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৫৮, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২
জটিল রোগে আক্রান্ত ইবি শিক্ষার্থী রাজ, সাহায্যের আবেদন
মোস্তাকিম হোসেন রাজ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মোস্তাকিম হোসেন রাজ। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগে। এখন তিনি বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া শেষে পরিবারের হাল ধরবেন। কিন্তু র‌্যাডিকিউলোপ্যাথি রোগের থাবায় তার স্বপ্নে পড়েছে অন্ধকারের ছেদ।

র‌্যাডিকিউলোপ্যাথির প্রভাবে শক্তি কমে আসছে মোস্তাকিমের পায়ের। ফলে লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে তাকে। এছাড়া প্রচণ্ড ব্যথায় হাটতেই পারছেন না অনেক সময়ে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক জানিয়েছেন ভারতে গিয়ে অস্ত্রোপচার করাতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন ১০ লাখ টাকা। আর এই টাকার অভাবে অস্ত্রোপচার করতে পারছেন না রাজ। ফলে অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।

১২ বছর বয়স থেকে পায়ের সমস্যা দেখা দেয় রাজের। দুই পায়ের শক্তি কমে যাওয়ায় মাঝেমধ্যে লাঠি নিয়ে চলতে হতো তাকে। দশম শ্রেণিতে পড়াকালে চলাচলের শক্তি হারাতে বসেন রাজ। চিকিৎসকের জানিয়েছিলেন, রক্ত চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় তার শরীরের নিচের অংশের শিরাগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। এ সময় চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও টাকার অভাবে তিনি তা পারেননি। ২০১৮ সালে আবারও সমস্যা বেড়ে যায়। এখন আর লাঠি ছাড়া চলতে পারেন না তিনি।

Advertisement

২০২১ সালে ভারতের ভেলরে সিএমসি হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট কনসালট্যান্ট ডা. সুভরনসু শেখরের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ করেন রাজ। এ সময় অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে ভারতে যেতে বলেন ডা. শেখর। কিন্তু টাকা জোগাড় করতে না পারায় অস্ত্রোপচার করতে পারে পারেননি। 

সর্বশেষ গত ১৮ আগস্ট অনলাইনে ডা. গুভরনসু শেখরের সঙ্গে আবারো যোগাযোগ অস্ত্রোপচারের জন্য ভারতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না রাজ।

রাজ জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কুয়াদপুর গ্রামের দিনমজুর আব্দুর রশিদের ছেলে। দিনমজুর বাবা চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে না পারায় সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন।

মোস্তাকিম হোসেন রাজ বলেন, চিকিৎসকরা কয়েক দফায় আমাকে অস্ত্রোপচার করতে বললেও টাকার অভাবে তা পারিনি। বর্তমানে দিনের পর দিন অবস্থা আরো ভয়াবহ হচ্ছে। পা চিকন হয়ে যাচ্ছে। পায়ের শক্তি হারিয়ে ফেলছি। আমি আবারো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাই। এজন্য সবার কাছে সাহায্যের আবেদন করছি।

টাকা পাঠানোর মাধ্যম- নগদ ও রকেট: ০১৭৪১-৩২০৮২৫, বিকাশ- ০১৫১৭-১৯২০৪২।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!