‘সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে ২০১১ সালে লালমাটির ক্যাম্পাস খ্যাত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করে সংগঠনটি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন পায় ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর। সে হিসেবে এক দশকে পদার্পণ করেছে কুবিসাস।
নানা বাধা বিপত্তি, বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হয় ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের ছাত্রনেতাদের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে সচেষ্ট থাকতে হয়। এসব অনিয়ম, দুর্নীতি রুখে দিতে কলম হাতে এগিয়ে আসে সাংবাদিকরা।
.png)
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও এক ব্যতিক্রম হয়নি। শুরু থেকে ন্যায়কে তুলে ধরতে এবং অনিয়ম-দুর্নীতিকে ক্যাম্পাস থেকে দূরে রাখতে গিয়ে সাংবাদিকদের পড়তে হয়েছে রোষানলে। এমনকি প্রশাসনের শোকজ, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের হাতে একাধিকবার মারধরের শিকার হয়েছেন কুবিসাসের সদস্যরা।
ক্যাম্পাস সাংবাদিকতাকে বলা হয় সাংবাদিকতার আঁতুড়ঘর। বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র মুখপাত্র হিসেবে কাজ করে বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত এসব সাংবাদিকরা। নবম বর্ষ পেরিয়ে এক দশকে পদার্পণ করছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। সমিতির সাবেক দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান সবুজের মৃত্যুতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে বিরত থাকবে সংগঠনটি।
২০১৩ সালে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে বর্তমানে অষ্টম কার্যনির্বাহী পরিষদ চলমান রয়েছে। পড়ালেখার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠা করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে কুবিসাস। বর্তমানে সংগঠনটিতে ৯ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি ও ৪০ জন সদস্য রয়েছে। তারা জাতীয় ও স্থানীয় অর্ধশতাধিক সংবাদপত্রে নিয়োজিত রয়েছেন।