লিখিত পরীক্ষায় ভালো করলেও অনেকেই আটকে যান ইন্টারভিউতে করা কোম্পানির মালিক বা এইচআরের কয়েকটি প্রশ্নে।
তবে ইন্টারভিউ বোর্ডের এই পাঁচটি প্রশ্নের চমকপ্রদ উত্তর দিতে পারলেই আপনার প্রতি ভরসা করতে শুরু করবে আপনার পছন্দের কোম্পানি। এ পাঁচটি প্রশ্ন হলো-
.png)
১। তিনটি শব্দে নিজের সম্পর্কে বলুন।
উত্তর: খেয়াল করুন এখানে শব্দ বলতে বলেছে, বাক্য নয়। তাই আপনার উত্তর হতে পারে মাল্টি ট্যালেন্ট, ট্রাস্টফুল, সেলফ মোটিভেটেড। এক্ষেত্রে আপনি আপনার যোগ্যতা মতো আরো অনেক শব্দই ব্যবহার করতে পারেন।
২। এ পেশায় কেন ক্যারিয়ার গড়তে চান?
উত্তর: আপনি যে পোস্টের জন্য আবেদন করেছেন, তার কারণ এখানে জানতে চাওয়ার জন্যই চাকরিদাতা কর্তৃপক্ষ এমন প্রশ্ন করবে। এ পেশায় আপনি কতটা আগ্রহী এবং এটি আপনার ড্রিম জব এমনভাবেই প্রশ্নে উত্তর সাজিয়ে নিন।
৩। আগামী ৫ বছরে নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
উত্তর: এ প্রশ্নের উত্তর এমনভাবে তৈরি করুন যাতে আপনি যে পেশার জন্য আবেদন করেছেন, তা থেকে শুরু করে উন্নতির শিখরে উঠলে যেখানে শেষ হবে। এতে চাকরিদাতার বুঝতে সুবিধা হবে আপনার এ পেশা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রয়েছে।
৪। স্ট্রেস ও প্রেসার সামলাতে কী করবেন?
উত্তর: এ প্রশ্নের মাধ্যমে চাকরিদাতা জানতে চান, চাপের মধ্যে থেকেও কোম্পানির জন্য কাজ কীভাবে করবেন তার উপায়। এছাড়া কোনো সহকর্মী অযথাই আপনার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করলে আপনি কীভাবে তা হ্যান্ডেল করবেন তাও এ প্রশ্নের উত্তরে আপনি বলতে পারেন।
৫। টাকা না পদমর্যাদা কোনটি বেছে নেবেন?
উত্তর: এমন প্রশ্নের উত্তরে পদমর্যাদা বেছে নেবেন তা ভুলেও বলতে যাবেন না। তাহলে আপনার সেলারি কমানোর সুযোগ পেয়ে যাবে প্রতিষ্ঠান। নীতিকথার সঙ্গে আপনি বাস্তবতার মেলবন্ধন করতে পারেননি তাও বুঝে যাবে চাকরিদাতা। তাই উত্তরে বলুন আপনি দুটোই বেছে নেবেন।
কারণ হিসেবে দাঁড় করাতে পারেন নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতাকে। যার জন্য আপনার পদমর্যাদা দরকার। আর বেঁচে থাকার জন্য আপনার প্রয়োজন অর্থ। তবে তাই বলে অসৎ পথে আপনি অর্থলাভের বিপক্ষে তাও বলে দিতে পারেন এ প্রশ্নের উত্তরে।
এ পাঁচ প্রশ্নের বুদ্ধিদীপ্ত উত্তরেই আপনাকে বিচার করা হবে আপনি নির্ধারিত পোস্টটির জন্য উপযুক্ত কি না। তাই চাকরি পাওয়ার আগেই আপনার পছন্দের পোস্টের জন্য নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলুন। ভাইবা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর আগে থেকেই সাজিয়ে রাখতে চেষ্টা করুন।