বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী অ্যাকাডেমিক ভবনে বিভাগের সভাপতির কক্ষে তালা লাগিয়ে অবস্থান নেয় তারা।
বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা রিতি বলেন, ২০২৩ সালের শেষের দিকে আমাদের অনার্স শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। অথচ আমরা এখনো প্রথমবর্ষেই রয়েছি। প্রথমবর্ষের পরীক্ষার রেজাল্ট না হওয়ার কারণে আমরা দ্বিতীয় বর্ষে উঠতে পারছি না। আমরা এমনিতেই ভয়াবহ সেশনজটে রয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি যদি এই সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে আমরা আমরণ অনশন করতে থাকব। শিক্ষকরা শুধুই বলেই যাচ্ছেন রেজাল্ট দেবে কিন্তু দিচ্ছেন না।
.png)
আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবি পেশ করেন। সেগুলো হলো- প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের রেজাল্ট দিয়ে দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা নিতে হবে এবং তা ঈদুল ফিতরের পূর্বেই সমাপ্ত করতে হবে, ২০১৯-২০ সেশনের যে সময়ে (২০২৪) অনার্স (সম্মান) পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা সে সময়েই শেষ করতে হবে, নোটিশের নামে ভাঁওতাবাজি বন্ধ করতে হবে, ছয় মাসের সেমিস্টারের সময়কাল তিন মাস করতে হবে, সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, বিভাগের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ও অপর্যাপ্ত জনবলের কারণে বারবার পরীক্ষা- ক্লাস ও বিভাগীয় কার্যক্রমে যে বিভ্রাট তৈরি হয় এবং যা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির সৃষ্টি করে তা নিরসন করতে হবে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী বলেন, ওরা (শিক্ষার্থীরা) কেন আন্দোলন করছে আমি জানি না। আজ সকালেই ওদের বললাম, রেজাল্টের কাজ চলছে। দুই-তিন দিনের মধ্যে রেজাল্ট হয়ে যাবে। আমাদের শিক্ষক সংকটের কারণে কিছু সমস্যা হয়ে গেছে, তার কিছু প্রভাব ওদের মধ্যে পড়েছে। তাছাড়া নতুন বিভাগ হিসেবে আমাদের সবাই আন্তরিক, সবাই কাজ করছে।