এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন ও অধ্যাপক ড. ফারজানা সিদ্দীকা।
কিনের প্রোগ্রামে ড. জায়েদা শারমিন বলেন, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এবারো সুবিধাবঞ্চিত ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ‘কিন ঈদ আনন্দ’ পালিত হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এসব সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর অধিকাংশই শাবিপ্রবির নিকটবর্তী এলাকায় বসবাস করে। তাদের জীবনযাপন অন্যান্য স্বাভাবিক শিশুদের মতো হয় না।
.png)
ড. ফারজানা সিদ্দীকা বলেন, ‘শাবিপ্রবির আশেপাশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষাদান করে থাকে কিন স্কুল। স্কুলের শিক্ষার্থীরাও উঠে আসে বিভিন্ন অসহায় নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো থেকে। অন্যান্য বছরের ন্যায় তাদের জন্য কিনের এ আয়োজন প্রশংসার যোগ্য।’
কিনের সভাপতি মাধুর্য চাকমা কৌশিক বলেন, ঈদ মূলত শিশুদের, ঈদে তাদের আনন্দই থাকে বাঁধভাঙা, উচ্ছ্বাস থাকে বাঁধনহারা। শিশুদের মুখে হাসি ফোঁটাতে এ আয়োজন করেছে কিন।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ৩০ জানুয়ারি ‘আত্মার কাছে দায়বদ্ধতার হাতে রাখি হাত’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করে ‘কিন’। প্রতিষ্ঠার পর থেকে শীতবস্ত্র সংগ্রহ ও বিতরণ, রক্ত সংগ্রহ, পথ শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম প্রদানসহ অসহায় ও পথশিশুদের নিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্বেচ্ছাসেবীমূলক কাজ করে আসছে সংগঠনটি। কিন এর পাঁচটি উইংসের মধ্যে ‘কিন স্কুল’ হলো অন্যতম একটি উইং। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র পরিবারের শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে এবং বর্তমান সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য তাদের প্রস্তুত করাই কিন স্কুলের প্রধান লক্ষ্য।