ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

রাবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:০৮, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩
রাবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু
মো. ফুয়াদ আল ফতিব- ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শামসুজ্জোহা হল থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হলের ১৮৪ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার হয়।

নিহত মো. ফুয়াদ আল ফতিব (২৩) রাবির সমাজকর্ম বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। তিনি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রাজিবপুর গ্রামের আমিনুল ইসলাম সাজুর ছেলে।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিজের সিটে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ফুয়াদ। সহপাঠীরা বুঝতে পেরে পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Advertisement

হলের শিক্ষার্থীরা আরো জানান, ফুয়াদের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা শেষ করে ৯ ডিসেম্বর রাতে বাড়ি থেকে ফেরেন তিনি। এরপর থেকেই তিনি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। দুপুর ৩টার দিকে দরজা খুলে কক্ষে প্রবেশ করে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তার মুখ দিয়ে রক্ত পড়ছিল ও শরীরে লালচে দাগ ছিল।

এ বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক একরামুল ইসলাম বলেন, শনিবার রাতে বাড়ি থেকে ফিরে নিজের কক্ষে অবস্থান করছিল ফুয়াদ। রোববার দুপুর পর্যন্ত কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে ডাকে। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া না গেলে এবং তার শরীর ঠান্ডা দেখে আমাকে জানানো হয়। তখনই আমি ঘটনাস্থলে যাই। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

তিনি আরো বলেন, ফুয়াদ সিঙ্গেল কক্ষে থাকত। তার কক্ষের দরজা খোলা ছিল এবং মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। আশপাশের কক্ষের কোনো শিক্ষার্থীও তার মৃত্যুর বিষয়ে কিছু জানে না। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে। 

সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস বলেন, ফুয়াদ সুইসাইড করার মতো ছেলে নয়। সে আমার খুব প্রিয় ছাত্র ছিল। খুব মেধাবী ছিল। পড়ালেখা শেষে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার। আমরা তার মৃত্যুর আসল কারণ জানতে চাই।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মতিহার জোনের এডিসি একরামুল বলেন, কয়েক ঘণ্টা আগেই ফুয়াদের মৃত্যু হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!