সোমবার ও মঙ্গলবার (১১-১২ ডিসেম্বর) দুই দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে বিকেল ৩টা থেকে রাত পর্যন্ত নানা রকম অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে এই উৎসব পালিত হচ্ছে। সোমবার বিকেলে উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, নবান্ন উৎসবের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সম্প্রীতি আরো বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলার যে ঐতিহ্য রয়েছে এই উৎসবের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্য সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে ধারণা দেওয়া সম্ভব। এই নবান্ন উৎসব একটি উদার, সার্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক উৎসব। গ্রামীণ সম্প্রদায়ের মানুষের এই উৎসব গণমানুষের উৎসব, খেটে খাওয়া মানুষের উৎসব।
.png)
প্রথমদিন বিকেলে গুণীশিল্পীদের সুরের মূর্ছনায় পাঞ্চকবির গানের মধ্যদিয়ে শুভ সূচনা হয়। এ উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, আবৃত্তি শিল্পীগণ একক ও দলীয় সঙ্গীত, নৃত্য এবং আবৃত্তি পরিবেশন করেন। রাতে বিভিন্ন গান ও নৃত্যের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাতিয়ে রাখে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নবান্ন মেলার একপাশে নাগরদোলা, শিশুদের খেলনা ঘর, পাশে বাহারি পানের সমাহার, বিভিন্ন ফাস্টফুড, মন কি বলে, ব্রুক ফুড স্টোর সহ নানারকমের স্টল এসব স্টলে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়৷
বিকেল থেকে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের পিঠা-পুলির আয়োজন, পাটের ব্যাগ, কাঠের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের সমাহার দেখা যায়। আজকেও বিভিন্ন গান এবং নৃত্যের ছন্দে চলছে নবছন্দে নবান্ন উৎসব। আয়োজকরা এই উৎসবটি প্রতিবছর করতে চান বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।