ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

ইসরায়েলের হামলা: ৫ হাজার ভ্রূণের মৃত্যু যেন অদেখা কালো অধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:২২, ১৭ এপ্রিল ২০২৪
ইসরায়েলের হামলা: ৫ হাজার ভ্রূণের মৃত্যু যেন অদেখা কালো অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

২০২০ সালের ডিসেম্বর। গাজা ভূখণ্ডের সবচেয়ে বড় ফার্টিলিটি ক্লিনিকে আঘাত হানে ইসরায়েলি গোলা। ঐ বিস্ফোরণে গাজা শহরের আল বাসমা আইভিএফ সেন্টারটির ভ্রূণবিদ্যা (অ্যাম্ব্রুলোজি) ইউনিটে সংরক্ষিত পাঁচটি তরলীকৃত নাইট্রোজেনের ট্যাঙ্কারের ঢাকনা ফেটে যায়। এতে শীতলীকরণে ব্যবহৃত এই অতি-ঠান্ডা তরলটি বাষ্পীভূত হয়ে বাতাসে মিশে যায়। ফলে অতি দ্রুত ট্যাঙ্কের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। সেখানে সংরক্ষিত ৪ হাজার ভ্রূণ এবং এক হাজার শুক্রাণুর নমুনা এবং নিষিক্ত ডিম্বাণু নষ্ট হয়। 

খবর রয়টার্স। 

সেই একক বিস্ফোরণের নেতিবাচক প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। গাজার ২৩ লাখ মানুষের ওপর ইসরায়েলের সাড়ে ছয় মাসব্যাপী চলতে থাকা বর্বরোচিত হামলার এটি ছিল অনেকটা অদেখা কালো উদাহরণ। ঐ ট্যাঙ্কের ভ্রূণগুলোই ছিল বন্ধ্যাত্বের শিকার হাজারো ফিলিস্তিনি দম্পতির শেষ ভরসা।

Advertisement

কেমব্রিজ-প্রশিক্ষিত প্রসূতি বিশেষজ্ঞ এবং স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বাহেলদিন ঘালাইনি বলেন, 'আমরা গভীরভাবে বিশ্বাস করি, এই ৫ হাজার জীবন বা সম্ভাব্য অনাগত জীবন ঐসব দম্পতির কাছে জীবনের চেয়েও মূল্যবান ছিল।’ 

এই ঘটনার পর অন্তত অর্ধেক ভুক্তভোগী দম্পতি-যারা আর হয়ত কখনো কার্যকর ভ্রূণ তৈরির জন্য শুক্রাণু বা ডিম্বাণু তৈরি করতে পারবেন না। এর ফলে তাদের বাবা-মা হওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকলো না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!