আগামী ২৪-২৬ মে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সায়েম মূকাভিনয় প্রদর্শন করবেন। এতে অংশ নিতে ২২ মে ঢাকা থেকে সিউলে উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন এবং ২৯ মে সিউল থেকে ঢাকায় ফিরবেন।
মূকাভিনেতা আবু সাদাত মো. সায়েম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনের শুরু থেকে মূকাভিনয় শিল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছি। এ সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন আন্দোলন ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে কখনো রাস্তায় আবার কখনো মিছিল বা সমাবেশে মূকাভিনয় করেছি। এছাড়াও, আমাদের নিয়মিত প্রদর্শনীগুলোতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে মূকাভিনয়কে শুধু কোনো শৈল্পিক চর্চার মাধ্যম নয় বরং এই শিল্পকে একটি আন্দোলন হিসেবেও আবিষ্কার করার চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত। দেশের একজন নাগরিক ও শিল্পী হিসেবে যখন মাতৃভূমিকে কোনো জায়গায় প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাই অবশ্যই সেটা ব্যক্তি হিসেবে বেশ গর্বের।
.png)
ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের মডারেটর ড. ফাদার তপন ডি রোজারিও বলেন, আমাদের মূকাভিনয় শিল্পীরা বরাবরই বিভিন্ন দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছে সফলতার সঙ্গে। যেসব শিল্পী দীর্ঘদিন ধরে মূকাভিনয় শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং বাংলাদেশের মূকাভিনয় শিল্পের চর্চাকে বিস্তৃত করতে কাজ করে যাচ্ছে তাদের মধ্যে সায়েম অন্যতম। আমি সবসময় তার কল্যাণ কামনা করি। একই সঙ্গে, প্রত্যাশী করছি, দক্ষিণ কোরিয়াতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই উৎসবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সে দেশের জন্য সুনাম অর্জন করতে পারবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের সঙ্গে যুক্ত আবু সাদাত মো. সায়েম। সায়েম আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী। ২০২১ সালে তিনি ইন্সটিটিউট অব মাইম অ্যান্ড মুভমেন্টের সদস্য হিসেবে কাজ করে আসছেন। পুরো সময় জুড়ে দেশে ও দেশের বাহিরে ১০০টিরও বেশি মূকাভিনয় প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১০টি মৌলিক মুকগল্প ও ছায়া মুকগল্প রচনা করেছেন।