গতকাল বুধবার রাতে এনসিটিবির বিজ্ঞপ্তিতে এ জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০২২-এর আলোকে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ২০২৪ সালের ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন ৩ জুলাই থেকে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে। এ ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়নের ‘মূল্যায়ন নির্দেশনাসমূহ’ প্রতিটি বিষয়ের মূল্যায়নের আগের দিনে নৈপুণ্য অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিজস্ব আইডিতে পাঠানো হচ্ছে।
.png)
যদিও এ ‘মূল্যায়ন নির্দেশনাগুলো’ কোনো শিক্ষার্থী আগে থেকে জেনে গেলেও সামগ্রিক মূল্যায়ন কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হবে না, তথাপিও পরীক্ষার হলে প্রবেশের আগেই এই ‘মূল্যায়ন নির্দেশনাসমূহ’ কতিপয় প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক বিভিন্ন মহলের সঙ্গে শেয়ার করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি ও সংস্থা এ ‘মূল্যায়ন নির্দেশনাগুলো’ বিভিন্ন অসত্য, ভুল, অপ্রাসঙ্গিক ও বিভ্রান্তিকর সমাধান ইউটিউব এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে।
এই বিভ্রান্তিকর সমাধানগুলো শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের ব্যাপকভাবে বিভ্রান্ত করছে এবং মূল্যায়ন কার্যক্রম বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিজস্ব আইডিতে পাঠানো ‘মূল্যায়ন নির্দেশনাসমূহ’ বাইরের যেকারো সঙ্গে শেয়ার করা শিক্ষকতার নৈতিকতাবিরোধী কার্যক্রম এবং চরম অ-শিক্ষকসুলভ আচরণ।
নৈপুণ্য অ্যাপের ইউজার আইডির মাধ্যমে এই ‘মূল্যায়ন নির্দেশনাসমূহের’ ডাউনলোড এবং বিস্তরণ কার্যক্রম ট্র্যাকিং করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আছে। এই ট্র্যাকিংয়ের আলোকে কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক মূল্যায়ন নির্দেশনাগুলো কোনো অপ্রাসঙ্গিক কমিউনিটি কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ারের বিষয় প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ অবস্থায় মূল্যায়ন কার্যক্রমের ‘মূল্যায়ন নির্দেশনাসমূহ’ বিস্তরণের মতো এ রকম স্পর্শকাতর একটি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো দায়িত্বশীল হওয়া এবং সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।